বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
ফুটবল খেলার নিয়মাবলী
ফুটবল খেলার নিয়মাবলী বা রেগুলেশন হল যেসব নিয়ম এবং শর্তাবলি যা খেলাটিতে অনুসরণ করা হয়। ফুটবল খেলা দেখতে এবং খেলতে সবাই কমবেশী ভালোবাসে। কিন্ত ফুটবল খেলার নিয়মকানুন না জানলে ফুটবল খেলাটা তেমন আকর্ষণীয় মনে নাই হতে পারে। ফুটবল খেলাকে বলা হয়ে থাকে 'দ্যা বিউটিফুল গেম'। ফুটবল খেলা ভালবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর! জনপ্রিয় এই খেলা খেলার জন্য এবং দেখার জন্য হলেও আপনার ফুটবল খেলার নিয়ম জানা উচিত.
আসুন জেনে নেওয়া যাক ফুটবল খেলার নিয়মাবলী
ফুটবল খেলায় কিক-অফ :
ফুটবল খেলার জন্য মাঠের মাঝখানে ১০ গজের বৃত্ত হলো সেন্টার সার্কেল। খেলা শুরু হওয়ার সময় এই বৃত্তের কেন্দ্র হতে কিক অফের মাধ্যমে খেলা শুরু হয়।এছাড়া প্রতিবার গোল হলে বিপক্ষ দল এই সেন্টার সার্কেল থেকে কিক অফের মাধ্যমে পুনরায় খেলা শুরু করে।
ফুটবল খেলায় থ্রো-ইন কি :
ফুটবল খেলা চলাকালীন সময় বল খেলার মাঠ ছেড়ে যাওয়ার পরে একটি থ্রো-ইন দেওয়া হয়।যে খেলোয়াড় শেষবার বল স্পর্শ করেছে তার প্রতিপক্ষ দলএকটি থ্রো-ইন পায়।তারপর বিপক্ষ দলের কেউ সেই স্থান থেকে নিয়মমত মাঠের মধ্যে হাত দিয়ে বল নিক্ষেপ করে খেলা শুরু করার পদ্ধতিকে থ্রো-ইন বা থ্রোয়িং বলে।
ফুটবল খেলায় কর্ণার কিক :
একটি কর্নার কিক দেওয়া হয় যখন শেষবার ডিফেন্ডিং দলের একজনকে স্পর্শ করে পুরো বল গোল লাইনের উপর দিয়ে যায়,মাটিতে বা বাতাসে কিন্ত গোলপোস্টের বাহিরে দিয়ে।আর যে পাশ দিয়ে বল গোল লাইন অতিক্রম করবে, সেই পাশের কর্নার এরিয়াতে বল রেখেই কর্নার কিক করতে হয়।
ফুটবল খেলায় ফাউল কি:
ফুটবল খেলার সময় অসৎ উপায় অবলম্বন করলে, অথবা সঠিক নিয়ম মেনে ফুটবল না খেললে, কিংবা অন্য কোনো অসদাচরণ বা অপরাধ করলে ফাউল বলে গণ্য হয়।
এই ফাউল ও অসদাচরণের জন্য ২ ধরনের ফ্রি কিক দেয়া হয়। একটি- ডাইরেক্ট ফ্রি কিক, অন্যটি হলো- ইনডাইরেক্ট ফ্রি কিক।
নিম্ন লিখিত ১০ টি কারণে ফাউল হয় এবং ডাইরেক্ট ফ্রি কিক দেয়া হয়-
- বিপক্ষের খেলোয়াড়কে লাথি মারা বা লাথি মারা চেষ্টা।
- বিপক্ষ দলের কাউকে ল্যাং মারা বা মারা চেষ্টা করা।
- বিপক্ষের কোনো খেলোয়াড়ের উপরে লাফিয়ে পড়া।
- বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়কে আক্রমণ বা চার্জ করা।
- বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়কে আঘাত করা বা আঘাতের চেষ্টা করা।
- বিপক্ষ খেলোয়াড়কে ধাক্কা দেওয়া।
- বিপক্ষের খেলোয়াড়কে ট্যাকল করা।
- বিপক্ষ খেলোয়ারকে আটকানো বা ধরে রাখা।
- বিপক্ষের খেলোয়াড়ের উপর থুথু মারা।
- গোল কিপার ছাড়া কেউ ইচ্ছা করে বল ধরা।
উপরের ১০ টি কারনে ডাইরেক্ট ফ্রি কিক হয়। আর ইনডাইরেক্ট ফ্রি কিক হওয়ার ৭ টি কারনে নিচে দেয়া হলো:
- গোল কিপার বল ধরার পরে,খেলার মাঠে বল নিক্ষেপ না করে যদি সেই বল ৬ সেকেন্ডর বেশি সময় ধরে রাখে।
- গোল কিপার বল নিক্ষেপ করার পরে,সেই বল কেউ টাচ্ করার আগেই যদি একই গোল কিপার বলটি আবার ধরেন।
- নিজ দলের কোনো খেলোয়ারের ইচ্ছাকৃত কিক করা বল যদি গোল কিপার ধরে বা টাচ্ করে।
- নিজ দলের কোনো খেলোয়ারের থ্রো করা বল যদি গোল রক্ষক সরাসরি ধরে বা টাচ্ করে।
- বিপজ্জনক ভাবে কেউ খেললে।
- নিজে বল না খেলে, বিপক্ষ খেলোয়ারের সম্মুখগতিতে বাঁধা দিলে।
- গোল রক্ষক বল নিক্ষেপ করার সময় তাকে বাধা দিলে।
ফুটবল খেলায় ফ্রি-কিকঃ
ফাউলের জন্য ২ রকমের ফ্রি কিকের কথা জেনেছি। এখানে উল্লেখ্য যে ডাইরেক্ট ফ্রি কিক থেকে সরাসরি গোল হয়, কিন্তু ইন্ডাইরেক্ট থেকে সরাসরি গোল হবে না।
ফুটবল খেলায় পেনাল্টি কিকঃ
যেসব ফাউলগুলো করলে ডাইরেক্ট ফ্রি কিক পাওয়া যায়,সেই ফাউলগুলো যদি পেনাল্টি এরিয়ায় করা হয় তবে বিপক্ষ দল অবশ্যই পেনাল্টি কিক পাবে।এই পেনাল্টি কিক মারার সময়ে পেনাল্টি এরিয়ায় পেনাল্টি টেকার ও গোল কিপার ছাড়া আর কেউ থাকতে পারবে না।
ফুটবল খেলায় অফসাইডঃ
অফসাইড হচ্ছে ফুটবল খেলার বহুল প্রচলিত এবং নিয়মিত ঘটনা।যখন বল ছাড়াই কোনো খেলোয়ার তার বিপক্ষ দলের অর্ধে অবস্থান করে এবং তার সামনে বিপক্ষের ২ জন খেলোয়ার না থাকে এবং ঐ মুহূর্তে যদি সে নিজ দলের খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বল পায় তখন তাকে অফ সাইড বলা হয়।
বাংলা
English
