বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
ক্রিকেট এখন শুধু মাঠের খেলা নয়, এটি বড়সড় এক কৌশল, বিনিয়োগ ও পরিকল্পনার শিল্প। বিশেষ করে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টুর্নামেন্টগুলোতে খেলোয়াড় সংগ্রহের দুই জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো নিলাম (Auction) এবং ড্রাফট (Draft)। অনেক সময়ই ভক্তরা জানতে চান, এই দুই পদ্ধতির মধ্যে আসল পার্থক্য কী? চলুন সহজভাবে জেনে নেওয়া যাক।
নিলাম
যেখানে দাম বাড়ে যুদ্ধের উত্তাপে। ক্রিকেট নিলামে প্রতিটি খেলোয়াড়ের একটি বেস প্রাইস বা ভিত্তিমূল্য নির্ধারিত থাকে। এরপর দলগুলো নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী খেলোয়াড়ের জন্য দরপ্রস্তাব দেয়। কে কত বেশি দামে খেলোয়াড়টিকে দলে নিতে পারে, সেটিই নিলামের মূল নাটকীয়তা। যে দল সবচেয়ে বেশি দাম অফার করে, খেলোয়াড়টি সেই দলের হয়ে যায়।
উদাহরণ: আইপিএল (IPL) নিলাম—যেখানে অনেক খেলোয়াড় অপ্রত্যাশিতভাবে কোটি টাকায় বিক্রি হয়ে যান!
ড্রাফট
ড্রাফট হচ্ছে এমন পদ্ধতি, যেখানে খেলোয়াড়দের দাম আগেই নির্ধারণ করা থাকে। দলগুলোর কাজ হলো তালিকা থেকে পছন্দমতো খেলোয়াড় বেছে নেওয়া। তবে এখানে একটি মজার বিষয় হলো যদি একই খেলোয়াড়কে একাধিক দল নিতে চায়, তবে সেই সিদ্ধান্ত হয় লটারির মাধ্যমে। অর্থাৎ, এখানে দরদাম নয়, ভাগ্য ও নিয়মই নির্ধারণ করে দেয় কে কোন খেলোয়াড় পাবে। বিপরীতে নিলামে খেলোয়াড়ের ভিত্তিমূল্য দেওয়া থাকে, একাধিক দল আগ্রহী থাকলে কে কার চেয়ে বেশি দিয়ে কিনবে, সেই লড়াই চলে।
উদাহরণ: পিএসএল (PSL) এবং লংকা প্রিমিয়ার লিগের ড্রাফট সিস্টেম।
উল্লেখ্যঃ- বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ১২ বছর পর আবারও ফিরছে খেলোয়াড়দের নিলাম। এর আগে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। ২০১২ ও ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম দুই আসরে নিলাম পদ্ধতি চালু থাকলেও পরবর্তী নয়টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যমে। আগামী ৩০ নভেম্বর রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে এবারের নিলাম। অংশ নেবে পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি— ঢাকা ক্যাপিটালস, চট্টগ্রাম রয়্যালস, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, রংপুর রাইডার্স ও সিলেট টাইটানস। এই নিলামের মাধ্যমেই তারা গঠন করবে বিপিএলের ১২তম আসরের দল।
বাংলা
English
