বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
ভলিবল বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় খেলা। বিশেষ করে শীতে গ্রাম বা মফস্বল এলাকা গুলোতে খুবই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই খেলা। স্বল্প পরিসরে আয়োজিত এই খেলাটি খুবই উত্তেজনাকর। ভলিবল খেলার নিয়মগুলো বেশ সুনির্দিষ্ট, যা খেলাটিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক এবং মজাদার করে তোলে। নিচে ভলিবল খেলার প্রধান নিয়মগুলো উল্লেখ করা হলো:
প্রতি দলে ৬ জন খেলোয়াড় মাঠে থাকে।অতিরিক্ত খেলোয়াড়রাও থাকতে পারে, যারা বিকল্প হিসেবে খেলতে নামতে পারে।ভলিবল কোর্টের আকার হয় ১৮ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৯ মিটার প্রস্থ।কোর্টের মাঝখানে ১ মিটার চওড়া একটি জাল থাকে, যার উচ্চতা পুরুষদের ক্ষেত্রে ২.৪৩ মিটার এবং নারীদের ক্ষেত্রে ২.২৪ মিটার।সাধারণত প্রতিটি দল একটি পয়েন্ট অর্জন করতে পারে যখন প্রতিপক্ষ দল বলটিকে সঠিকভাবে ফেরাতে ব্যর্থ হয়।পয়েন্ট অর্জনের জন্য বলটিকে প্রতিপক্ষের কোর্টে ফেলতে হবে বা প্রতিপক্ষকে বল ফেরানোর সময় ভুল করতে বাধ্য করতে হবে।একটি দল ২৫ পয়েন্ট অর্জন করলে একটি সেট জয়ী হয়, তবে ২ পয়েন্টের ব্যবধান থাকতে হবে। (যেমন, ২৫-২৩)।পুরো ম্যাচ জিততে একটি দলকে সাধারণত সেরা ৩ সেটের মধ্যে ২টি বা সেরা ৫ সেটের মধ্যে ৩টি জিততে হয়।
প্রতিটি দল সর্বাধিক ৩টি স্পর্শ ব্যবহার করে বলকে প্রতিপক্ষের কোর্টে পাঠাতে পারে।
একটি খেলোয়াড় একবারে পরপর দুটি স্পর্শ করতে পারে না, তবে যদি প্রথমটি ব্লক হয় তবে সে দ্বিতীয়বার স্পর্শ করতে পারে।বল জালের ওপর দিয়ে প্রতিপক্ষের কোর্টে যেতে হবে। যদি বল জালের মধ্যে আটকে যায় বা বাইরে পড়ে, তবে তা ফাউল হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রতিপক্ষ দল পয়েন্ট পাবে।খেলা শুরু হয় সার্ভের মাধ্যমে। সার্ভ করার সময় খেলোয়াড়কে কোর্টের বাইরে সার্ভ লাইন (বেসলাইন) থেকে বলকে প্রতিপক্ষের কোর্টে পাঠাতে হয়।সার্ভ করতে গিয়ে বল যদি জালের সাথে লেগে প্রতিপক্ষের কোর্টে পড়ে তবে তা বৈধ সার্ভ বলে গণ্য হবে।প্রতিটি সার্ভ শেষে একটি দল পয়েন্ট পায়, আর সেটার পরে সার্ভ করার দায়িত্ব ওই দলটি পায়।
কটি দল যখন সার্ভ করার অধিকার পায়, তখন খেলোয়াড়রা ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরে রোটেশন করে। অর্থাৎ, খেলোয়াড়দের স্থান পরিবর্তন করতে হয়, যাতে প্রত্যেক খেলোয়াড় সার্ভ করার সুযোগ পায়।
প্রতিপক্ষ যখন পয়েন্ট পায়, তখন সার্ভ করার অধিকারও তারা পায় এবং তাদের দলও রোটেট করে।
প্রতিটি সেট ২৫ পয়েন্টে শেষ হয়, তবে সেটটি ২ পয়েন্টের ব্যবধান থাকতে হবে।শেষ সেট (৫ম সেট) ১৫ পয়েন্টে খেলা হয়, তবে এটিও ২ পয়েন্টের ব্যবধানের নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।লিবেরো একজন বিশেষ খেলোয়াড়, যার প্রধান কাজ রক্ষণ করা। লিবেরো সাধারণত পজিশন ৫ বা ৬-এ খেলে।লিবেরো আক্রমণ করতে পারে না এবং সার্ভ করার সুযোগও নেই। তবে প্রতিরক্ষায় তাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তোলে এই বিশেষ নিয়ম.
ফাউল ও ভায়োলেশন
- চারবার বল স্পর্শ করা (এক দলে সর্বাধিক তিনবার স্পর্শ করার নিয়ম ভঙ্গ করা)।
- বল ধরে রাখা (বলকে ধরা বা স্থায়ীভাবে ধরে রাখা নিষিদ্ধ)।
- জালের স্পর্শ করা (জালে হাত বা শরীর স্পর্শ করলে ফাউল হবে)।
- বাক-লাইনের সার্ভিং ফাউল (যদি সার্ভ করার সময় খেলোয়াড় বেসলাইন ছাড়িয়ে যায়)।
বাংলা
English
