দেশের জন্য খেলে কি বেতন পান ফুটবলাররা ?
দেশের জন্য খেলে কি বেতন পান ফুটবলাররা ?

বড় মাপের ফুটবলাররা শুধু বড় তারকাই নন। তারা একেকজন টাকার কুমিরও বটে। মেসি, রোনালদো থেকে থেকে শুরু করে হালের এমবাপ্পে কিংবা হার্লান্ড, এরা সবাই কাড়ি কাড়ি টাকার মালিক। কিন্ত আপনি জানলে অবাক হবেন, নিজেদের দেশ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো বেতনই পান না ফুটবলাররা। তারা ক্লাবে খেলে কাড়ি কাড়ি অর্থ উপার্জন করেন। সেই অনুপাতে জাতীয় দলে ফুটবলাররা যতসামান্য সুযোগ-সুবিধায় সম্মান ও দেশের জন্য খেলেন। জাতীয় দলে ফুটবলারদের সুযোগ-সুবিধা বিভিন্ন দেশের ফেডারেশনের সামর্থ্য ও নীতির উপর নির্ভর করে।

ক্লাবে খেলার বাইরেও ফুটবলাররা আয় করেন মোটা অংকের টাকা। যেমন, স্পনসর ও ক্লাবের জার্সি বিক্রি, অনুমোদন চুক্তি ইত্যাদি থেকে। স্পনসর কোম্পানিগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ যোগ হয় ফুটবলারদের অ্যাকাউন্টে।

বাংলাদেশ ফুটবল দলও এর ব্যাতিক্রম নয়। বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলারদের সুনির্দিষ্ট কোনো ম্যাচ ফি নেই। কিট (জার্সি, ট্র্যাকস্যুট) পেয়ে থাকলেও বুট অন্য সরঞ্জাম ফুটবলারদের নিজেদেরই ব্যবস্থা করতে হয়। জাতীয় দলের ক্যাম্পে ফুটবলাররা ইনজুরি হলে ফিফার ক্লাব প্রটোকশন স্কিমের আওতায় বাফুফে ফিফার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ অর্থ সংশ্লিষ্ট ক্লাবকে প্রদান করছে গত কয়েক বছর যাবত। এছাড়া আর তেমন কোনো সম্মানী বা বিশেষ কোনো সুযোগ-সুবিধা বাফুফে দেয় না।

বাংলাদেশ ফুটবলের মহাতারকা হামজা চৌধুরী এরইমধ্যে বাংলাদেশের হয়ে খেলছেন। ভারতের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচ খেলে কত টাকা পেলেন হামজা? এ নিয়েও দেশের ফুটবলাঙ্গনে রয়েছে  বেশ কৌতুহল। হামজা ম্যানচেস্টার থেকে বাংলাদেশে এসেছেন আবার বাংলাদেশ থেকে ম্যানচেস্টার গেছেন। ইংল্যান্ড-ঢাকা-ইংল্যান্ড বিমান টিকিট বাফুফে বিজনেস ক্লাসই প্রদান করেছে। এর বাইরে অতিরিক্ত কোনো কিছুই দিতে হয়নি হামজা চৌধুরিকে। হামজা বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলবেন। ঐতিহাসিক সেই ম্যাচ দেখতে ইংল্যান্ড থেকে তার পরিবার এসেছে। হবিগঞ্জ থেকেও অনেকে শিলংয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। হামজার প্রথম ম্যাচ উপলক্ষ্যে বিশেষ সৌজন্যমূলক কিছু ব্যয় হয়েছে বলে জানা গেছে ফেডারেশন সূত্রে। এই ব্যয় ফেডারেশনের ফান্ড থেকে নাকি সভাপতি তাবিথ আউয়াল নিজেই বহন করছেন কিনা এটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

This platform is proudly developed and supported by Trenza Softwares