বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
খেলোয়াড়দের খাদ্যতালিকায় যা যা থাকে!!
আপনি একজন প্রফেশনাল খেলোয়াড় বা উঠতি খেলোয়াড় কিংবা আপনার ইচ্ছে একজন ক্রীড়াবিদ হওয়ার তাহলে অবশ্যই আপনার ডায়েট চার্ট একজন সাধারণ মানুষ থেকে আলাদা হওয়া উচিত।কেননা আপনি ক্রিকেট,ফুটবল,হকি বা ব্যাডমিন্টন যা খেলাই খেলে থাকেন না কেন এর জন্য আপনার প্রথমেই দরকার শরীরে পেশি তৈরি করা।এছাড়াও সাধারণ মানুষের তুলনায় একজন খেলোয়াড়ের মেটাবলিক রেট বেশি হয়।তবে সবকিছুর উপরে স্থান দিতে হবে নিজের ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা,যেমনটা আমরা দেখি মেসি,রোনালদো থেকে বিরাট কোহলী,সাকিব আল হাসানসহ হালের সব জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদদের ক্ষেত্রে।
- যেহেতু খেলোয়াড়দের মেটাবলিক রেট সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশী তাই শক্তির প্রয়োজনও বেশী।উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত,প্রোটিন এবং ফাইবারসমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি প্রয়োজন পর্যাপ্ত কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট।তাই বাদাম,পালংশাক,মিষ্টি আলু,ডিম,টক দই,চর্বিহীন মাংস ইত্যাদিকে শক্তিদায়ক খাবার হিসেবে প্রাধাণ্য দিতে হবে।
- যেকোনো খেলোয়াড়ের দরকার পেশি গঠনের দিকে মনোযোগ দেওয়া।আর প্রয়োজনীয় পেশি গঠনের জন্য চর্বিহীন মাছ,মাংস,ডিম,দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার,বাদাম,সিডস,সয়াবিন এইসব খাবার একজন খেলোয়াড়ের খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখা জরুরী কেননা এইসব খাবার থেকে ব্রাঞ্চ চেইন অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়।
- খেলোয়াড়দের যেহেতু অতিরিক্ত শারিরীক পরিশ্রম করতে হয় তাই শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়া স্বাভাবিক।পানির শরীর এবং মস্তিস্কের দক্ষতা কমে যেতে পারে।ইলেকট্রোলাইট ঘাটতি দেখা দিলে মাংসের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে তাই খেলার দুই ঘন্টা আগে আধা লিটার,ওয়ার্মআপের সময় ২৫০ মিলিলিটার এবং খেলার সময় ৩০ মিনিট পর পর ১৫০ থেকে ২০০ মিলিলিটার পানি খাওয়া দরকার।পানির পাশাপাশি শসা,তরমুজ,কমলা,টমেটো এবং কলা খাওয়া উচিত।
- যারা খেলে থাকেন বা খেলোয়াড় হতে চায় তাদের অবশ্যই উচিত ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা।তাই ফাস্ট ফুড,অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার,তেলযুক্ত খাবার,চিনিযুক্ত তরল পানীয়,অ্যালকোহল জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উদাহরণ হতে পারে লিওনেল মেসি,কেননা মেসি যখন বার্সার সিনিয়র দলে যুক্ত হয় তখন অতিরিক্ত সফট ড্রিঙ্কস পানীয় গ্রহণ করে তখন বার্সা কোচ পেপ গার্দিওলা মেসির ওজন যেন না বেড়ে যায় সেজন্য প্র্যাক্টিস সেশনে সফট ড্রিঙ্কস বন্ধ করে দেয়।
- শারিরীক সক্ষমতার পাশাপাশি একজন খেলোয়াড়ের মানসিক দক্ষতাও দরকার আর তাই খাদ্যতালিকায় সামুদ্রিক মাছ,ডার্ক চকলেট,বাদাম,হলুদ,দুধ,ব্রকলি,স্ট্রবেরি,কাঠবাদাম,সয়া মিল্ক রাখা উচিত।
- খাদ্যতালিকায় ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি রাখা যাবে না।পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলমূল এবং শাকসব্জি খেতে হবে।
অনেক সময় তাৎক্ষনিক শক্তির জন্য বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট খাওয়া জরুরী।যেমন ইলেকট্রোলাইটস ড্রিঙ্কস,বাদাম-খেজুর দিয়ে মিল্ক শেক,ব্ল্যাক কফি ইত্যাদি।প্রতিটি খেলার জন্য দরকার আলাদা আলাদা ডায়েট চার্ট,তাই আপনি কোন খেলার সাথে যুক্ত তার উপর নির্ভর করবে আপনার ডায়েট চার্ট।তাই এই বিষয়ে সবসময় একজন পুষ্টিবিদ এবং কোচের অধীনে থাকা জরুরী।
বাংলা
English
