বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
বেসবল আমেরিকা মহাদেশীয় অঞ্চলের খুবই জনপ্রিয় একটি খেলা। আমাদের উপমহাদেশীয় অঞ্চলে বেসবল এখনো তেমন জনপ্রিয় না হলেও বেসবল কে জানার আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে মানুষের মনে। বেসবল উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিন আমেরিকাতে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এছাড়াও, এশিয়ার দেশ জাপানেও ফুটবলের পাশাপাশি বেসবলের ব্যাপক জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও, সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর অলিম্পিক গেমসেও বেসবলের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বেশ কয়েকবার। তবে, সর্বশেষ ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকে দেখা মিলে বেসবলের।
আপনি জানেন কি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় খেলা বেসবল। এই খেলায় দুই দলে ৯ জন করে প্লেয়ার থাকে। ৯০ ফুটের রম্বস আকৃতির মাঠে চারকোণায় চারটি বেস স্পর্শ করে রান নেওয়া হয়। যারা ব্যাট করে তাদের বলা হয় ‘অফেন্স’ দল। আর যারা ফিল্ডিং করে তাদের বলা হয় ‘ডিফেন্স’ দল। আসুন এই খেলার বিস্তারিত নিয়ম জেনে নিই।
বেসবলের ব্যাটিং :
এই খেলায় ডিফেন্স দলের হয়ে যিনি বল ছোঁড়েন তাকে বলা হয় পিচার। আর অফেন্স দলের হয়ে যে ব্যাটিং করেন তাকে বলা হয় হিটার। ক্রিকেটে বোলার-ব্যাটসম্যানদের মতো, হিটারের কাজ হচ্ছে পিচারের ছোঁড়া বলগুলো মোকাবিলা করা। পিচারদের ছোঁড়া বলগুলো মোকাবিলা করে রান তোলাই ব্যাটিং দলের কাজ। খেলা শুরুর আগে হিটারদের মাঠে নামানোর একটি লাইন আপ জমা দিতে হয়। সেই লাইন আপ অনুযায়ী অফেন্স দলকে হিটারদের মাঠে নামাতে হয়। এই লাইন আপ পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই। হিটার যদি টানা তিনবার বল হিট করতে ব্যর্থ হন তাহলে তাকে বলা হয় স্ট্রাইক বা আউট। সে ক্ষেত্রে নতুন হিটার আসবেন।
বেসবলে পিচিং:
ডিফেন্স দল পিচারদের পরিবর্তন করতে পারবে। চাইলে প্রত্যেকেই পিচিং করতে পারবে। পিচারদের কাজ বিভিন্ন কৌশলে হিটারদের পরাস্ত করা। অভিজ্ঞ পিচাররা সাধারণত গতির দিকেই নজর দেন বেশি। ঘণ্টায় প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে বল ছুঁড়তে পারেন পিচাররা। আবার ভিন্নতা আনার জন্য বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন আনতে পারেন পিচাররা। স্লোয়ার কিংবা সিম কাট, সিম স্ক্রুর মতো ডেলিভারিও ছোঁড়েন তারা।
বেসবলে ফিল্ডিং :
ডিফেন্স দলই ফিল্ডিংয়ে থাকে। সাতজন বিভিন্ন মাঠের বিভিন্ন পজিশনে ফিল্ডিং করে। একজন পিচার অন্যজন হিটারের পেছনে থেকে বল ক্যাচ করেন। অনেকটা উইকেট কিপারের মতো। বেসবলে আম্পায়ারের অবস্থান থাকে হিটার এবং কিপারের পেছনে।খেলার অবস্থা এবং হিটার হিটিং মান বুঝে ফিল্ডারদের অবস্থান পরিবর্তন হয়। ক্রিকেটের মতো দুই ধরণের ফিল্ডিং লক্ষ্য করা হয়। আক্রমণাত্মক এবং রক্ষণাত্মক।
খেলার ধরণ এবং নিয়মে খেলাটি অনেকটা ক্রিকেটের মতো হলেও খুব কমই মিল রয়েছে। উত্তর আমেরিকায় এর জনপ্রিয়তা তুমুল। বর্তমানে খেলাটি প্রায় সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি বাংলাদেশে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত একটি অ্যাসোসিয়েশনও রয়েছে। যদিও এর কার্যকারিতা নেই বলেই চলে।
বাংলা
English
