বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
কাবাডিকে বলা হয় বাংলাদেশের জাতীয় খেলা। কাবাডি খেলা আমাদের উপমহাদেশের জনপ্রিয় একটি খেলা। এছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে এই কাবাডি খেলা এখন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
কাবাডি খেলা বাংলাদেশে হা-ডু-ডু খেলা নামেও পরিচিত এবং কাবাডির সঙ্গে কিছু ভিন্নতা রয়েছে। হা-ডু-ডু খেলার এর কোনো নির্দিষ্ট নিয়মকানুন নেই। বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন নিয়মকানুন দিয়ে খেলা হয়।
কাবাডি খেলার নিয়মাবলী :
মাঠ :
কাবাডি খেলার বালকদের মাঠ লম্বায় ১২.৫০ মিটার এবং চওড়ায় ১০ মিটার। বালিকাদের কাবাডি খেলার মাঠ লম্বায় ১১ মিটার এবং চওড়ায় ৮ মিটার। খেলার মাঠের ঠিক মাঝখানে একটি লাইন টানা থাকে যাকে মধ্যরেখা বা চড়াই লাইন বলে। এই মধ্য রেখার দুই দিকে দুই অর্ধে দুটি লাইন টানা হয় যাকে বলা হয় কোল লাইন। মৃত বা আউট খেলোয়াড়দের জন্য মাঠের দুই পাশে ১ মিটার দূরে দুটি লাইন থাকে যাকে বলা হয় লবি।
সদস্য :
প্রতিদলে ১২ জন খেলোয়াড় অংশ নেয়। কিন্তু প্রতিদলের ৭ জন খেলোয়াড় একসাথে মাঠে নামে। বাকি ৫ জন অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে রাখা হয়। খেলা চলাকালীন সর্বাধিক তিনজন খেলোয়াড় বদালানো যাবে।
সময় :
৫ মিনিট বিরতিসহ দুই অর্ধে পুরুষদের ২৫ মিনিট করে এবং মেয়েদের ২০ মিনিট করে খেলা হয়। খেলা শেষে যে দল বেশি পয়েন্ট পাবে সেই দলই জয়ী হবে। দু’দলের পয়েন্ট সমান হলে দু’অর্ধে আরো ৫ মিনিট করে খেলার জন্য সময় দেওয়া হয়। এরপরও যদি পয়েন্ট সমান থাকে তবে যে দল প্রথম পয়েন্ট অর্জন করেছিল সে দলই জয়ী হয়।
পয়েন্ট :
যদি কোনো খেলোয়াড় মাঠের বাইরে চলে যায় তাহলে সে আউট হবে। এভাবে একটি দলের সবাই আউট হলে বিপক্ষ দল অতিরিক্ত ২ পয়েন্ট পাবে। মধ্যরেখা থেকে দম নিয়ে বিপক্ষ দলের কোনো খেলোয়াড়কে [একাধিক হতে পারে] স্পর্শ করে এক নিঃশ্বাসে নিরাপদে নিজেদের কোর্টে ফিরে আসতে পারলেই, যাদের স্পর্শ করবে তারা সবাই আউট হবে। এভাবে যতজন আউট হবে তাদের প্রত্যেকের জন্য এক পয়েন্ট করে পাওয়া যাবে।
আউট হওয়ার নিয়ম :
এক নিঃশ্বাসে স্পষ্টভাবে পুনঃপুন কাবাডি বলে ডাক দেওয়াকে ‘দম নেওয়া’ বলে। এই দম মধ্যরেখা থেকে শুরু করতে হবে। বিপক্ষ কোর্টে একসাথে একাধিক আক্রমণকারী যেতে পারবে না। কোনো আক্রমণকারী বিপক্ষ দলের কোর্টে দম হারালে এবং বিপক্ষ দলের খেলোয়াড় তাকে স্পর্শ করতে পারলে সে আক্রমণকারী আউট বলে গণ্য হবে।
বাংলা
English
