বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
চ্যাম্পিয়নস লীগ ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের আসর। প্রতিবছরেই ইউরোপিয়ান বিভিন্ন লীগ থেকে ক্লাবগুলো ইউরপিয়ান শিরোপার জন্য লড়াই করে। তবে অন্যান্য সকল কম্পিটিশনের মত চ্যাম্পিয়নস লীগেও রয়েছে একটি নির্দিষ্ট অংকের প্রাইজমানি। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া সকল ক্লাবের জন্যই বরাদ্দ থাকে প্রাইজমানি। তবে কোন দল ঠিক কি পরিমান প্রাইজমানি পায় তা জেনে নিন বিস্তারিত।
২০২৪/২৫ সিজন থেকে চালু হতে যাচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লীগের নতুন ফরম্যাট। তাই এই ফরম্যাটে কে কত প্রাইজ মানি পাবে তা এখনো ঘোষণা করেনি উয়েফা। তাই এখানে বিগত সিজনের প্রাইজমানির পরিমান দেয়া হলো।
চ্যাম্পিয়ন: ২০ মিলিয়ন ইউরো
রানার্সআপ: ১৫.৫ মিলিয়ন ইউরো
সেমিফাইনালিস্ট: ১২.৫ মিলিয়ন ইউরো
কোয়ার্টার ফাইনালিস্ট: ১০.৬ মিলিয়ন ইউরো
রাউন্ড-১৬: ৯.৬ মিলিয়ন ইউরো
গ্রুপ পর্বে জয়: ২.৮ মিলিয়ন ইউরো
গ্রুপ পর্বের ড্র: ৯ লাখ ৩০ হাজার ইউরো
গ্রুপ পর্বে নাম লেখালেই: ১৫.৬৪ মিলিয়ন ইউরো
টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দলের ঝুলিতে যাবে ২০ মিলিয়ন ইউরো৷ যা বাংলাদেশি টাকায় ২৩৫ কোটি টাকার বেশি৷ অন্যদিকে রানার্সআপ দল পাবে ১৫.৫ মিলিয়ন ইউরো৷ বাংলাদেশি টাকায় যা ১৮২ কোটি টাকার বেশি৷
তবে শুধু এ টাকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বে নাম লেখানো থেকে শুরু করে চ্যাম্পিয়ন হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেকটি পর্বের প্রাইজমানি যুক্ত হবে। অর্থাৎ চ্যাম্পিয়ন দল সবমিলিয়ে পাচ্ছে ৮৫.১৪ মিলিয়ন ইউরো। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার কোটির বেশি৷
এ তো গেল শুধু প্রাইজমানি৷ এছাড়া এর বাইরেও অনেক খাত থেকে আয় করবে ক্লাবগুলো। প্রতিটি ক্লাবই টেলিভিশন সম্প্রচার থেকে পাবে মোটা অঙ্কের টাকা৷ এবারের আসরে টেলিভিশন মার্কেট থেকে ধরা হয়েছে ৩০০ মিলিয়ন ইউরো৷ যা চ্যাম্পিয়ন ক্লাব থেকে শুরু করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অংশগ্রহণ করা প্রত্যেকটি দেশের ক্লাবের মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হবে।
বাংলা
English
