বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
আগামী জুনের ১০ তারিখে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবছরের চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনাল। ফুটবল বিশ্ব ক্লাব ফুটবলকে এই সিজনের মতো বিদায় জানাবে এই ম্যাচের মধ্যে দিয়ে। চ্যাম্পিয়নস লীগ কর্তৃপক্ষ প্রতি সিজনেই দৃষ্টিনন্দন বল দিয়ে নতুন সিজন শুরু করে। প্রতি সিজনেই আগের সিজনের চেয়ে আরো চমৎকার বল সংযোজন করা হয় এই কম্পিটিশনে। এবারও তার ভিন্ন নয়।তবে এবারের চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনালের বলটি একটু বিশেষ ও আলাদা। আসুন জেনে নেই তা ঠিক কি কারনে।
চ্যাম্পিয়নস লীগের প্রতি সিজনেই ফুটবলের সামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এডিডাস নতুন নতুন ডিজাইনের বল তৈরি করে আসছে।এই ধারা সেই ২০০০ সাল থেকে চলে আসছে। প্রতি সিজনেই এডিডাস আলাদা আলাদা ডিজাইনের বল তৈরি করে থাকে। এই ডিজাইন গুলো হয় মূলত ফাইনাল কোন শহরে হচ্ছে ও পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন বিষয়ের ওপর।
তবে এই বছরের চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনালের বলটি কোনো নতুন ডিজাইন নয়। এটি আসলে বিগত ২১ বছরের বলগুলোর ডিজাইন থেকে তৈরি একটি বিশেষ বল। অর্থাৎ এই বলে গত ২১ সিজনে যে বলগুলো ডিজাইন করা হয়েছিলো সেই সবগুলো বলের ডিজাইন ই এতে ফিচার করা হয়েছে। এটি মূলত বিগত বছরের বলগুলোর প্রতি এডিডাসের একটি ট্রিবিউট।
কেনো আলাদা এবারের বল? কারন প্রতি বছরের ফাইনালের বল শুধুমাত্র সেই সিজনের ফাইনালের ভেন্যুর ওপর ডিজাইন করা হয়। কিন্ত এবছরের বলে যেমন বিগত ২১ বছরের ডিজাইনের ফিচার রাখা হয়েছে তেমনি রাখা হয়েছে ২০০৫ সালে ইস্তাম্বুলে হওয়া আরেক ঐতিহাসিক ফাইনালের কিছু ফিচারও। সেই বছর চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনালে লিভারপুল বনাম এসি মিলানের ম্যাচটি চ্যাম্পিয়নস লীগের ইতিহাসে অন্যতম সেরা কামব্যাকের একটি দৃষ্টান্ত। এবছরের ফাইনাল ইস্তাম্বুলে হওয়ায় সেই ঐতিহাসিক ম্যাচকে বলের ডিজাইনে ফিচার করা হয়েছে।
এ তো গেলো ডিজাইনগত দিক। টেকনিক্যাল দিক দিয়েও এবছরের বল বেশ উন্নত। অত্যাধুনিক সব সেন্সর বসানো হয়েছে এই বলে যাতে ম্যাচের সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নির্ভুলভাবে নেওয়া যায়। এছাড়াও বলে বসানো চীপের মাধ্যমে সেমি অটোমেটেড টেকনলোজি ব্যবহার করে সুক্ষ থেকে সুক্ষতর অফসাইড ধরা যাবে যা আগে দেখা যায় নি।
বাংলা
English
