বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
মিনিবার ফুটবল খেলার নিয়ম
ফুটবলের সীমিত বা ছোট ভার্শন হচ্ছে ফুটসাল। ফুটসাল শব্দটি মুলত স্প্যানিশ শব্দ Futbol Sala থেকে এসেছে যার অর্থ দাড়ায় ইনডোর ফুটবল। বর্তমানে বিশেষ করে শহর এলাকায় ফুটসাল বা মিনিবার ফুটবল বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। শহরের পর্যাপ্ত পরিমান মাঠ না থাকায় মিনিবারের ফুটবল এই সমস্যার একটি দারুন সমাধান হয়ে উঠেছে। মিনিবার ফুটবলের জনপ্রিয়তা শহর এলাকা ছাড়িয়ে গ্রামেও এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে সাধারন ফুটবল থেকে এই মিনিবারের ফুটবলের নিয়মকানুনে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। আসুন একনজড়ে জেনে নেওয়া যাক মিনিবার ফুটবল খেলার নিয়মাবলী।
মিনিবার ফুটবল খেলায় একদলে প্লেয়ার থাকে ৫ জন। এই ৫ জনের মধ্য একজন থাকবে গোলকিপার। মিনিবার ফুটবল খেলায় বদলি প্লেয়ারের কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। সর্বোচ্চ ১২ জন পর্যন্ত খেলোয়াড় ব্যবহার করা যায়।
মিনিবারের ফুটবলের অন্যতম বড় পার্থক্য হচ্ছে মাঠের পরিমাপে। সাধারন ফুটবল মাঠের চেয়ে স্বাভাবিকভাবেই অনেকটা ছোট হয়ে থাকে মিনিবার ফুটবলের মাঠ। মিনিবার ফুটবল মাঠের দৈর্ঘ্য সাধারনত ২৭- ৪২ গজ ও প্রস্থ ১৭-২৭ গজ পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারন ফুটবল ঘাসের মাঠে খেলা হলেও মিনিবারের ফুটবল সাধারনত টার্ফ জাতীয় মাঠে খেলা হয়ে থাকে। মিনিবারের ফুটবল খেলার বলটিও সাধারনত একটু ছোট হয়ে থাকে।
মিনিবারের ফুটবল ২০ মিনিট করে দুই অর্ধে খেলা হয়। মিনিবার ফুটবল খেলায় পেনাল্টি কিক করা হয় পোস্টের ৬ মিটার দূর থেকে। কোনো দল যদি এক অর্ধে ছয়টি বা তার বেশি ফাউল করে তাহলে প্রতিপক্ষ একটি পেনাল্টি কিক পাবে। গোলকিপারের পায়ে বল যাওয়ার পর গোলকিপার চার সেকেন্ড সময় পাবে বল ছাড়ার জন্য। অন্যথায় প্রতিপক্ষ ফ্রিকিক পাবে। মিনিবারের ফুটবল খেলায় বল সাইডলাইনের বাইরে চলে গেলে থ্রো ইনের পরিবর্তে কিক ইন এর মাধ্যমে খেলা শুরু হয় । অর্থাৎ সাইডলাইন থেকে কিক করার মাধ্যমে খেলা শুরু করতে হয়। মিনিবারের ফুটবল খেলা ব্যক্তিগত স্কিলের ওপর বেশি নির্ভরশীল।
সাধারন ফুটবলের মত ফুটসাল বা মিনিবারের ফুটবলেরও বিশ্বকাপ হয়ে থাকে। মিনিবারের ফুটবলের সর্বপ্রথম বিশ্বকাপ হয় ১৯৮৯ সালে। এখানে সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ান হয়েছে ব্রাজিল। মিনিবার ফুটবলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ান আর্জেন্টিনা যা আয়োজিত হয়েছিলো ২০১৬ সালে।
বাংলা
English
