সুইং বোলিং এর সাতকাহন!
সুইং বোলিং এর সাতকাহন!

সুইং বোলিং এর সাতকাহন

সুইং মূলত এক ধরনের বোলিং কৌশল। একটা ক্রিকেট বলের মাঝ বরাবর যে সেলাই থাকে 

এটাকে সীম বলে। মূলত এই সীমকে কাজে লাগিয়েই বোলাররা বোলিং বিভিন্ন ধরনের ভেরিয়েশন আনে। 

 

এখন আসা যাক সুইং কি.? 

বিভিন্ন ধরনের সুইং রয়েছে। 

একটা বলের দুইটা অংশ থাকে। একটি সুপার শাইনি পার্ট আরেকটি হলো রাফ পার্ট 

 

সীম ছাড়াও বায়ুপ্রবাহ, বাতাসে অবস্থিত বায়ুর ঘনত্ব, জলীয়বাষ্প বলকে সুইং করাতে কাজ করে। 

 

একজন বোলার যখন ব্যাটসম্যানের উদ্দেশ্যে বলটি ছুঁড়ে দেন তখন সীমের সংস্পর্শে বায়ুপ্রবাহ দুইদিকে ছড়িয়ে যায়। 

শাইনি পার্টে যে এয়ার ফ্লো জেনারেট হয় সেটাকে আমরা বলি ল্যামিনার এয়ার ফ্লো অপরদিকে রাফ সাইডে জেনারেটেড হওয়া এয়ারফ্লোকে আমরা বলি টার্বুলেট এয়ার ফ্লো 


বলের শাইনি পার্ট মূলত স্মুথ বিধায় শাইনি পার্টের এয়ার ফ্লো খুব দ্রুত এবং বেশি পরিমানে প্রবাহিত হয়ে বলের সার্ফেসটাকে অতিক্রম করে চলে যায় তাই তার বিপরীত সাইডে অর্থাৎ, রাফ সাইডের এক প্রকার গতি এবং বেগ  তৈরি হয়।

বেগ এবং গতির কারণে, বলের ডিরেকশন শাইনি পার্টের বিপরীত দিকে চলে যায়। গতি এবং বেগকে কাজে লাগিয়ে বোলাররা বলের ডিরেকশন চেঞ্জ করে তখন সে বোলিং একশানকে ইন সুইং আউট সুইং বোলিং বলে। 

 

সাধারনত যদি একজন ডানহাতি পেস বোলার থাকেন তাহলে শাইনি পার্টের এয়ার ফ্লোর কারনে ডানহাতি ব্যাটারের বিপক্ষে তিনি আউট সুইং জেনারেট করেন।

সহজ ভাষায় ব্যাটসম্যান যদি ডানহাতি হন তবে বোলার সীম কিছুটা বামে ঘুরিয়ে বলকে পিচ করান একে আউট সুইং বলে।

অন্যদিকে ব্যাটসম্যান যদি বাঁহাতি হন, তবে বোলার বলটিকে সামান্য ডানে ঘুরিয়ে বল পিচ করান এবং একে ইন সুইং  বলে। 

 

ইন সুইংয়ের ক্ষেত্রে যা ঘটে তা হলো, বলের শাইনি পার্ট থাকে বাম দিকে। অর্থাৎ, বোলার যখন বোলিং করছেন বোলারের বাম দিকে বলের শাইনি পার্ট থাকে এবং যেহেতু শাইনি পার্টে এক প্রকার এয়ার ফ্লো জেনারেট হয় সে কারণে, বায়ু প্রবাহের জন্য খুব দ্রুতই বলটি সার্ফেস অতিক্রম করে চলে যায় তাই তার বিপরীত দিকে একটা বেগ বা গতির সঞ্চার হয় যে কারণে বলটা শাইনি পার্টের বিপরীত পার্টে সুইং করে। অর্থাৎ, আমরা বুঝতে পারছি নরমাল সুইং বলের ক্ষেত্রে বলের যে শাইনি পার্ট থাকবে তার বিপরীত দিকে বলটি সুইং করবে।

This platform is proudly developed and supported by Trenza Softwares