লর্ডস থেকে মিরপুর—অনার্স বোর্ডের উজ্জ্বল ইতিহাস!
লর্ডস থেকে মিরপুর—অনার্স বোর্ডের উজ্জ্বল ইতিহাস!

ক্রিকেট শুধু খেলার নাম নয়, এটি আবেগ, ইতিহাস, গর্ব এবং সংগ্রামের গল্প। সেই গল্পকে চিরন্তন করে রাখার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়ামে আছে “অনার্স বোর্ড”। যেখানে খোদাই হয়ে থাকে সেসব ক্রিকেটারদের নাম, যাঁরা অনন্য কীর্তি গড়েছেন। আর এবার সেই ইতিহাসে নিজের নাম লিখিয়েছে হোম অব ক্রিকেট, মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।


লর্ডসের আদলে, মিরপুরে সম্মানের সিঁড়ি!

লর্ডসের অনার্স বোর্ড মানেই ক্রিকেট বিশ্বের সম্মানিত এক তালিকা। যেখানে নাম ওঠা মানে জীবনের অন্যতম বড় অর্জন। সেই পথ ধরে এবার মিরপুরেও গড়ে তোলা হলো এক ব্যতিক্রমী অনার্স বোর্ড। তবে এখানেই রয়েছে চমক! কেবল পারফরম্যান্স নয়, বরং তাদের পথচলার সূচনালগ্নকে সম্মান জানাতে তৈরি করা এই বোর্ড।

বিশ্বের অন্যান্য অনার্স বোর্ড যেখানে শুধুই সেঞ্চুরি, ফাইভ উইকেট বা ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে গড়া, সেখানে বিসিবি এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা শুধু সাফল্যের নাম নয়, লিপিবদ্ধ করেছে স্বপ্ন দেখা প্রথম ১০৭ জন টেস্ট ক্রিকেটারের নাম। যারা ২০০০ সাল থেকে ২০২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশকে টেস্ট মর্যাদার পথে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। এই বোর্ড শুধু নাম নয়, স্মৃতি আর আত্মত্যাগের দলিল। শুধু পারফরম্যান্স নয়, এই অনার্স বোর্ড স্মরণ করিয়ে দেবে সেইসব সময়, যখন জেতার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল মাঠে নামা।

মিরপুর এখন শুধুই মাঠ নয়, ইতিহাসের গর্বিত ধারক!

লর্ডস, এমসিজি, গাব্বা, কেপটাউন, রাওয়ালপিন্ডি… এদের পাশে এখন দাঁড়িয়েছে মিরপুর। অনার্স বোর্ড প্রথম বসানো হয় লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ১৮৮৪ সালে।

This platform is proudly developed and supported by Trenza Softwares