বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের সব প্রযুক্তি
ক্রিকেটকে বলা হয় ভদ্রলোকের খেলা।তবে এই ক্রিকেটকে আরও উন্নতির লক্ষ্যে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থা 'আই সি সি' সবসময় নিয়েছে বিভিন্ন প্রযুক্তির সাহায্য।তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি।সেইসব প্রযুক্তির কথাই জেনে নিইঃ
হক আইঃ হক আই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় বলের গতিপথ নির্ণয়ের জন্য।মাঠের চারপাশে ৬ টি ক্যামেরা প্রতিস্থাপন করা হয় এই হক-আই প্রযুক্তির জন্য।ছয়টি দিক থেকে তোলা ছবি খুব দ্রুত একটি ফ্রেমে যুক্ত করা হয়।একটি ডেলিভারীকে দুইভাবে ভাগ করে এই প্রযুক্তিঃ
১।বলটির বাউন্স
২।বলটি কোথায় গিয়ে আঘাত করেছে (impact)
যখন ৩০ সেমি পথ ছয় ক্যামেরা এক করে দেয় তখন পূর্বেই প্রোগ্রাম করা প্রোগ্রাম ডাটাবেজ থেকে বাকী পথটুকু ইন্ডিকেট করে দিতে পারে।মূলত এটিই হক-আই এর মূল শক্তি।এলবিডব্লিউ সিদ্ধান্ত নিতে এটি কার্যকরী
২।হটস্পটঃ ক্রিকেটে প্রযুক্তিগত বিপ্লবের অন্যতম দিক হচ্ছে হটস্পট বাস্তবায়ন।এলবিডব্লিউ কিংবা ক্যাচ আউটের সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।এই হটস্পট একটি ইনফ্রারেড ইমেজিং সিস্টেম যা ক্রিকেটে ব্যাটসম্যান,ব্যাট-প্যাডে বল আঘাত করেছে কিনা তা নির্ধারণ করতে ব্যবহার হয়।হট স্পট এর জন্য খেলার মাঠের উপরে মাটির বিপরীত দিকে দুইটি ইনফ্রারেড ক্যামেরা লাগানো থাকে।
৩।ডি আর এসঃ ডি আর এস বা ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম ক্রিকেটকে আরও উপভোগ্য করে তুলেছে।এই পদ্ধতিতে আম্পায়ারের দেওয়া সিধান্ত যাচাই করে নিতে পারে দলগুলো। এই ডিআরএস এর সিদ্ধান্তের জন্য থার্ড আম্পায়ারকে নিতে হয় হটস্পট এবং হক আই এর সাহায্য।
এছাড়াও ২০২৩ বিশ্বকাপে আরও অনেক প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে যেমন স্নিকমিটার,লেড স্টাম্প,বল স্পিন আরপিএম।
বাংলা
English
