বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
ভালো আউটফিল্ড কী?
ক্রিকেট মাঠকে মূলত দুইভাগে ভাগ করা যায়ঃ ইনফিল্ড এবং আউটফিল্ড।
ইনফিল্ড বলতে মূলত পিচকেই বোঝায় তবে আউটফিল্ড হচ্ছে মুলত পিচ বাদে মাঠের বাকীটা অংশ। আন্তর্জাতিক পরিসরে একটা স্টেডিয়ামের সুনাম কিংবা দুর্নাম নির্ভর করে মাঠের আউটফিল্ডের উপর। কেননা আউটফিল্ড ভালো না হলে অবশ্যই ঝুঁকি থাকে খেলোয়াড়দের ইনজুরিতে পড়ার।
আসুন এবার জেনে নিই,কী কী গুনাবলি থাকা দরকার একট ভালো আউটফিল্ডের।
আইসিসির নিয়ম অনু্যায়ী,একটি আদর্শ ক্রিকেট মাঠের বাউন্ডারী লাইন,সেন্টার পিচ থেকে অবশ্যই ৮২ মিটারের বেশী হবে না এবং ৫৯ মিটারের কম হবে না।এছাড়া আউটফিল্ড হতে হবে একটু শক্ত।আউটফিল্ড যদি বালুকাময় হয়ে থাকে তবে পেস বোলারদের রান-আপের সময় অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয় এছাড়া ইনজুরিতে পড়ার আশংকাতো থাকেই।
পেস বোলাররা যখন রান আপ নিয়ে থাকে তখন তাদের পা আউটফিল্ডে ফেলার পর যদি শরীরের ভর পুরোপুরি আউটফিল্ডে না দিতে পারে তবে বোলিং খারাপের সম্ভাবনা থাকে এছাড়া জুতার নিচের স্পাইক মাটিতে আটকে যাচ্ছে বলে অনুভূত হয়। এছাড়াও ফিল্ডারদের বল ধরতে লাফ দিতে একটু দ্বিধায় পড়তে হয়,একটু এদিক সেদিক হলেই ফিল্ডারদের থাকে ক্যারিয়ারের ঝুঁকি।
ভালো আউটফিল্ডের অন্যতম আরেকটি গুন হচ্ছে,আউটফিল্ডের ঘাসের ঘনত্ব এবং ঘাসের উচ্চতা। অনেক সময় ঘাসের ঘনত্বটা দেখানোর জন্য মাঠের কিছু জায়গায় ঘাস বড় রাখা হয়।মাঠে ঘাসের ঘনত্ব এক না থাকলে মাটি খাবলা খাবলা হয়ে উঠে আসে।
আদর্শ আউটফিল্ড পিচ থেকে বাউন্ডারী লাইন পর্যন্ত কিছুটা ঢালু করা হয় যেন পানি নিষ্কাশন সহজেই করা যায়।আমাদের মিরপুর হোম অফ গ্রাউন্ড দুনিয়া সেরা ড্রেনেজ সিস্টেমের কারনে। এছাড়া মাঠের মাটির ঘাসের মাঝে কিছুটা ছিদ্র রাখা হয় মাঠ দ্রুত শুকানোর জন্য।
বাংলা
English
