ক্রিকেটে ফরম্যাটভেদে ডিআরএস এর ভিন্নতা !
ক্রিকেটে ফরম্যাটভেদে ডিআরএস এর ভিন্নতা !

ডি আর এস (ডিশিসন রিভিউ সিস্টেম) হচ্ছে ক্রিকেটের একটা নিয়ম। যেই নিয়মে খেলার সময় আম্পায়ারের কোন সিদ্ধান্তকে জানানো যায় চ্যালেঞ্জ।

ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম বা ডিআরএস এখন ক্রিকেটের নিয়মিত চরিত্র। সব ফরম্যাটেই আছে এই প্রযুক্তির ব্যবহার। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত আরও নির্ভুল করতে এবং ওই ‘বিরুদ্ধ’ সিদ্ধান্তের চ্যালেঞ্জ যেন খেলোয়াড়রা জানাতে পারেন, সেই ভাবনা থেকেই আইসিসি নিয়ে এসেছে এই প্রযুক্তি।

দেখা গেল কোন ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ার আউট দিয়েছেন, কিন্তু আউট হওয়া ব্যাটসম্যান মনে করলেন আম্পায়ারের সিদ্ধান্তটি সঠিক নয়। আবার ফিল্ডিংয়ে থাকা দল আউটের আবেদন করলে আম্পায়ার আউট নয় বলে সিদ্ধান্ত দিলেন, তবে ফিল্ডিংয়ে থাকা দল সেই সিদ্ধান্ত সঠিক নয় বলে মনে করলেন। তখনই ওই ব্যাটসম্যান বা ফিল্ডিং দল আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ক্রিকেটে কোন ফরম্যাটে কতবার ডিআরএস নেওয়ার সুযোগ আছে?

প্রথমে আসা যাক টেস্ট ক্রিকেটে। এই ফরম্যাটে প্রত্যেক ইনিংসের জন্য বরাদ্দ দুটি রিভিউ। ব্যাটিং সাইডের জন্য দুটি, বোলিং সাইডের জন্য দুটি। তবে দুইবারই যে শুধু তাঁরা রিভিউ নিতে পারবেন, ব্যাপারটা তেমন নয়। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ‘সফল’ হলে, ওই রিভিউ টিকে থাকে। সেক্ষেত্রে, সফল রিভিউ যতবার ইচ্ছা ব্যবহার করা যাবে। তবে এটাও জেনে রাখা দরকার, প্রথম ইনিংসে হাতে থাকা রিভিউ পরের ইনিংসে নেওয়ার সুযোগ নেই।

রিভিউয়ের আরেকটি দিকও আছে। দেখা গেল, আম্পায়ার এলডব্লিউ দিয়েছেন। রিভিউ নিলেন ব্যাটসম্যান। থার্ড আম্পায়ারের কাছে সিদ্ধান্ত গেলে তিনি ফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত রেখে আউট দিলেন। সেই আউটের ক্ষেত্রে বলা হয় ‘আম্পায়ার্স কল’। তখন যদিও ওই ব্যাটসম্যান আউট, তবে তাঁর রিভিউ নষ্ট হবে না। কারণ তিনি আউট হয়েছেন মূলত ‘আম্পায়ার্স কল’-এর কারণে।

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই। তবে টেস্টে প্রতি ইনিংসে তিনটি রিভিউ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সাদা বলের ক্রিকেটে প্রত্যেক ইনিংসের জন্য বরাদ্দ দুইটি করে রিভিউ।

 

 

 

This platform is proudly developed and supported by Trenza Softwares