বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
ক্রিকেটের সাজ সরঞ্জাম আমাদের দেশে সাধারণত ক্রিকেটের সাজ-সরঞ্জাম যথাঃ ব্যাট, প্যাড, গ্লাভস, প্রোটেক্টর ইত্যাদি খুব কম খেলোয়াড়ই ব্যক্তিগতভাবে নিজের পয়সায় কিনে না এগুলো ক্লাব, বা স্কুল, বা প্রতিষ্ঠান জোগায়। খেলোয়াড়েরা নিজেদের প্রয়োজন মতো ব্যবহার করেন। তবে, ভাল খেলোয়াড় হতে হলে তার নিজস্ব এ জিনিসগুলো থাকলে ভালো হয়। আমাদের আজকের পর্বে আমরা আলোচনা করবো প্যাড,প্রোটেক্টর,গ্লাভস ও বুট নিয়ে।
প্যাডঃপ্যাড পরার প্রধান উদ্দেশ্য হলো বল লেগে পায়ের বা উরুর কোন অংশে যাতে ব্যাথা না লাগে। এই জন্যই এখনকার প্যাডগুলো এমনিভাবে বানানো হয় যাতে করে প্যাড হয় হাল্কা, চলাফেরা করতে কোন অসুবিধে বা বাধো বাধো ঠেকে না। প্যাডটা যদি নিজস্ব হয় তাহলে তার স্ট্র্যাপ কেটে নিজের প্রয়োজন মত ফিট করে নিবে আর বারোয়ারী প্যাড হলে ট্র্যাপটি গুটিয়ে প্যাডের ভিতরেই গুঁজে রাখা যুক্তিযুক্ত। স্ট্র্যাপ বাইরে ঝুলে থাকলে, বিশেষ করে লেগ সাইডে আম্পায়ারের ভুল হবার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকে। কারণ, অনেক সময় অফ ব্রেক বা ইন-সুইং বল ব্যাটে না লেগে প্যাডের স্ট্র্যাপে লেগে সামান্য একটু আওয়াজ হলে আম্পায়ারের ভুল হওয়া বা ভুল বিচার করা স্বাভাবিক। উইকেট কীপারের প্যাড সাধারণত বেশ পুরু ও ভারী হয়ে থাকে। কিন্তু উইকেট-কীপার যদি হাল্কা ব্যাটিং প্যাড পরে উইকেট কীপিং করে তাহলে ভাল ফল দেখাতে পারবে। কেননা, উইকেট কীপারেরা শতকরা নিরানব্বইটি বলই হাতে গ্লাভসের সাহায্যে ধরেন এবং কদাচিত এক আধটা বেকায়দা বল পায়ে এসে লাগে এবং এজন্য ভারী একটা প্যাড পরে খেলায় প্রয়োজন মত বেগে নড়াচড়া করতে অসুবিধে হয়। বহু টেস্ট খেলার উইকেট কীপার ব্যাটিং ব্যাট পরে উইকেট রক্ষার কাজ করে থাকেন।
প্রোটেক্টর : অনেক প্রোটেক্টর অ্যাবডমিন্যাল গার্ড বা বক্স বলে থাকেন। প্যান্টের নিচে অ্যালুমিনিয়াম বা প্লাসটিকের তৈরি অ্যাবডমিন্যাল গার্ড সহজেই ঢুকিয়ে আশু জখমের হাত হতে বাঁচার জন্য সাবধানতা অবলম্বন করা হয়। এতে তলপেটে বা তার নিচে আঘাত লাগার ভয় থাকে না। সব ব্যাটসম্যান ও উইকেট কীপার এর ব্যবহার করে থাকেন।
গ্লাভস ঃ ক্রিকেট খেলাটাই হাত-পা আর চোখের খেলা। তাছাড়া, ক্রিকেটের বলটিও বেশ শক্ত, হাতের আঙ্গুলে লাগলে বেশ চোট লাগে। এই জন্যই নিরাপত্তার জন্য যতগুলো সরঞ্জাম আছে তার মধ্যে গ্লাভসের প্রয়োজন চরম। খালি হাতে খেলে যত আরাম গ্লাসভের সাহায্যে খেললে ব্যাটসম্যান তত আরাম বা সুবিধে পান না। তবে ধৈর্য্য ধরে কিছু দিন গ্লাভস পরে অনুশীলনী চালালে গ্লাভস ছাড়া খেলতে ভয় ও অস্বস্তি লাগবে। বাজারে দুই প্রকারের গ্লাভস কিনতে পাওয়া যায়। একটা পুরো গ্লাভস, সাধারণত এমনি চামড়ার দাস্তানার মত।
আরেক প্রকারের গ্লাভসে আঙ্গুল- গুলোতে ঠুলি পরান থাকে ও হাতের তালুর দিকটা খোলা থাকে। একটা লম্বা ইলাসটিক স্ট্যাম্প কব্জি ঘিরে থাকে। ব্রাডম্যান এই ধরনের গ্লাভস ব্যবহার করতেন। গ্লাভস পছন্দের কাজটা ব্যক্তিগত সুবিধার ব্যাপার। সব ধরনের গ্লাভসেই চামড়া, পরকুপাইন রবার বা স্পঞ্জ থাকে যাতে বল লাফিয়ে ব্যাটসম্যানকে জখম না করতে পারে। সর্বদা মনে রাখতে হবে গ্লাভসটা মাপমত হবে, ঢলঢলা হলে ব্যাটে বলে খেলতে অসুবিধা হবে।
ক্রিকেট বুট : দৌড়ের প্রতিযোগিতায় যেমন দৌড়ানোর জুতা বা স্পাইকস্ লাগে, ফুটবল খেলায় যেমন বুট লাগে ক্রিকেট খেলায়ও ঠিক তেমনি বুটের প্রয়োজন হয়ে থাকে। আর ক্রিকেট বুট জোড়া খেলোয়াড়ের নিজস্ব সম্পত্তি। বুট পায়ে ফিট করার সময় ক্রিকেটের পুরু মোজা পরে দেখে নিতে হবে তাহলে পায়ে টাইট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না। বুটের সোলটি মাঝারি ধরনের মোটা হওয়া ভাল। বুটের নিচে স্পাইক বা স্প্রিগ লাগাতে হবে। নচেৎ দৌড়ানোর সময় পা পিছলে যাওয়ার ভয় থাকে। স্পাইক সংখ্যা হবে ১৩টি। প্রতিদিন খেলার পরে স্পাইকগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে-স্পাইক নড়বড়ে হলে তা ঠিক করতে হবে। স্পাইকওয়ালা বুটে ভাল বলিং (পা পিছলে হড়কাতে পারে না), ব্যাটিং ও ফিল্ডিং করা যায়। উঁচু স্তরের খেলোয়াড়েরা ব্যাটিং, বোলিং বা ফিল্ডিংয়ে নানা ধরনের বুটের ব্যবহার করে থাকেন; যথা ফিল্ডিংয়ের জন্য হালকা বুট-এর সোলে ছোট ছোট অনেক নেল লাগানো থাকে,যাতে মাঠে স্লিপ না করে।বূট পায়ে দিয়ে যেন আরাম হয় এবং এটা যেন নির্ভরযোগ্য ও টেকসই হয়।
মোজা- বেশ একজোড়া ঠাস-বুনানি মোজা পড়লে পায়ের প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়,মোজা পুরু হলে পায়ে আরাম হবে,এজন্য অনেকে দু জোড়া মোজা ব্যবহার করে থাকেন।
বাংলা
English
