বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
ব্যাডমিন্টন খেলার কৌশল
ব্যাডমিন্টন খেলার কৌশল কে ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়।
১) গ্রিপ
২)ফুটওয়ার্ক
৩) সার্ভিস
৪)স্ট্রোক ও স্ম্যাশিং
গ্রিপ বা র্যাকেট ধরাঃ গ্রিপ র্যাকেট ধরার ক্ষেত্রে কব্জির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ন। গ্রিপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
১) ফোর হ্যান্ড গ্রিপ
২) ব্যাক হ্যান্ড গ্রিপ
ফোর হ্যান্ড গ্রিপঃ একজন ডানহাতি খেলোয়াড় তার ডান দিক দিয়ে শর্ট গুলো খেললে সেগুলো ফোরহ্যান্ড গ্রিপের অন্তর্ভূক্ত। এটা যেকোন ব্যান্ডমিন্টন খেলোয়ারেড় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত গ্রিপ । একজন বিগেনারের শুরু হয় এই ফোরহ্যান্ড গ্রিপ দিয়েই। এই গ্রিপের জন্য ডান হাতের বৃ্দ্ধাঙ্গুলি আর তর্জনী দিয়ে র্যাকেট কে ধরতে হয়। ওভারহেড শট(ক্লিয়ার ড্রপ,কাট,স্ম্যাশ),,নেটশট, হাইসার্ভ,,লিফট এগুলোর জন্য ফোরহ্যান্ড গ্রিপ অপরিহার্য্য।
ব্যাক হ্যান্ড গ্রিপঃ একজন ডানহাতি খেলোয়াড় তার বাম পাশ থেকে যে শর্ট গুলো খেলে সেগুলো ব্যাক হ্যান্ড গ্রিপের অন্তর্ভূক্ত।প্রকৃ্ত অবস্থান থেকে হাত টি বাম দিকে এমনভাবে ঘুরাতে হবে যেন হাতের বুড়ো আঙুল র্যাকেটের পিছনে আড়াআড়ি ও কোনাকুনি অবস্থানে এবং র্যাকেটের হাতলের শেষ অংশটুকু হাতের তালুর মধ্যে থাকে।
ফুটওয়ার্ক বা পায়ের কাজঃ দ্রুত স্ট্রোক নেওয়ার জন্য ভালো ফুটওয়ার্ক প্রয়োজন।সার্ভ করার সময় খেলোয়াড়দের দু পা ১৪” থেকে ১৮” দুরত্বে থাকবে।একে স্ট্যান্স বলে।
সার্ভিসঃ একজন ভালো খেলোয়াড় কে ৩ ধরনের সার্ভিস কৌশল জানতে হয়।
১) হাইডিপ সার্ভিস
২) লো সার্ভিস
৩) ড্রাইভ সার্ভিস
হাইডিপ সার্ভিসঃ খুব উঁচু দিয়ে শাটল কে খাড়াভাবে বিপক্ষের কোর্টের বেজলাইনের কাছাকাছি ফেললে তাকে হাইডিপ সার্ভিস বলে। এর উচ্চতা অনেক সময় ২০ ইঞ্চি বা তার বেশি হয়।
লো সার্ভিসঃ শাটল বা কর্ক টি যদি খুব নীচু দিয়ে বিপক্ষ দলের সার্ভিস এলাকার শর্ট সার্ভিস লাইন দ্বারা যুক্ত কোনায় ফেলতে পারলে তাকে লো সার্ভিস বলে।
ড্রাইভ সার্ভিসঃ নিচ দিয়ে শাটল টি সজোরে পিছনে বা সার্ভিস গ্রহণ কারীর ডান বরাবর সার্ভিস করলে একে ড্রাইভ সার্ভিস বলে।
স্ট্রোক বা স্ম্যাশিংঃ স্ট্রোক বা স্ম্যাশিং করার কৌশল কে ৬ ভাগে ভাগ করা যায়।
ফোরহ্যান্ড স্ট্রোকঃ ডানহাতি খেলোয়াড়ের কাঁধ বা বাম পা নেটের দিকে রেখে শরীরের ডান পাশ দিয়ে শাটলে আঘাত করতে হয়। র্যাকেট পেছনে নেওয়ার সময় ডান পায়ের উপর দেহের ভর রাখতে হবে। শাটলে আঘাত করার সাথে সাথে দেহের ওজন ডান পা থেকে বাম পায়ে চলে আসবে।
ব্যাক হ্যান্ড শটঃ ব্যাক হ্যান্ড শটের ক্ষেত্রে ডান কাঁধ ও ডান পা নেটের দিকে রেখে ডানহাতি খেলোয়াড় তার শরীরের বাম পাশ দিয়ে শাটলে আঘাত করবে।
ওভারহ্যান্ড শর্টঃ বাম পা সামনে রাখতে হবে।ডান পায়ের উপর শরীরের ওজন থাকবে। শর্ট নেওয়ার সময় শ্রীর পেছনের দিকে একটু ঝুঁকে যাবেএবং মাথার উপর নিয়ে পেছন দিক থেকে র্যাকেট তুলে এনে শাটলে আঘাত করতে হবে।
ড্রপ শটঃ এ শর্টের ক্ষেত্রে শাটল টিকে নেটের সামান্য উপর দিয়ে নেট পার করে বিপক্ষের কোর্টে ফেলতে হবে।
আন্ডার হ্যান্ড শর্টঃ সার্ভিস করার সময় র্যাকেট সুইং করে শাটলে লাগার সাথে সাথে র্যাকেটের গতি রোধ করতে হবে।
স্ম্যাশিংঃ মাথার উপর শট নেওয়ার কৌশলে র্যাকেট ধরা হাতটি পেছন থেকে সুইং করে উপরে উঠাতে হবে।যে মুহুর্তে র্যাকেট শাটল স্পর্শ করবে,তখন ই হাতের কব্জি নিচের দিক করে সজোরে শাটলে আঘাত করলে শাটল্টি দ্রুত নীচের দিকে নেমে যাবেএবং বিপক্ষের কোর্টে গিয়ে আছড়ে পড়বে। এই পদ্ধতিকে স্ম্যাশিং বলে।
ব্যাডমিন্টন খেলার উপকারিতাঃ
১)শারীরিক কসরত হয়।
২)শরীর চাঙ্গা থাকে
৩)দেহের ওজন কমে
৪)মেটাবলিজম রেট বাড়ে
৫)কাজ করার আগ্রহ বাড়ে
৬)হৃদপিন্ডের কার্যক্ষমতা বৃ্দ্ধি পায়
৭)হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে
৮)ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে
৯)উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে
তাই শরীর সুস্থ রাখতে,কিংবা বিনোদনের খোরাক জমাতে পরিবার বা বন্ধুবান্ধব্ দের সাথে র্যাকেট আর শটল নিয়ে নেমে পড়ুন ব্যাডমিন্টন খেলতে। এছাড়া ব্যাডমিন্টন খেলার বিস্তারিত জানতে কিংবা এক্সপার্টদের থেকে জানতে দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে যুক্ত হোন খেলবেই বাংলাদেশের অনলাইন কোর্সে।
বাংলা
English
