মাত্র এগার মাসে জাতীয় দলে
মাত্র এগার মাসে জাতীয় দলে

জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন সবারই থাকে। কিন্তু সে জাতীয় দলে খেলতে আসলে কত সময় প্রয়োজন? সেই প্রশ্নটা একপাশে রেখে জেনে নেয়া যাক মাত্র এগার মাসে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার গল্প। 

মোঃ ফাহিমের ব্যাডমিন্টন খেলার প্রতি ঝোঁকটা শুরু হয় বড় ভাইয়ের কাছ থেকে। দুই ভাই মিলে এলাকার ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট এর ডাবলস জিতে নজর কাড়েন সবার। সেখান থেকেই জনাব আতিক উল্লা এর মাধ্যমে সান্নিধ্যে আসেন সাবেক জাতীয় চ্যাম্পিয়ন এবং জাতীয় কোচ এনায়েত উল্লা খান এবং এনালিনা একাডেমীর। 

 

এনায়েত উল্লা খান (মাঝে) এর সাথে ফাহিম 

 

শুরু হয় কঠোর পরিশ্রম। কিন্তু গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে নিয়মিত গুলিস্থানে আসার গল্পটা কিন্তু সহজ ছিলো না। আর্থিক অবস্থার কারণে সপ্তাহে তিন বা চারদিন আসতেন ফাহিম ও তাঁর ভাই। বাকি দিনগুলো তালিম নিতে থাকেন অনলাইনে। এসব দেখে নিজ এলাকায় কিছুটা হাসাহাসির সম্মুখীন হন তিনি।

 

কিন্তু এভারেস্ট সমান স্বপ্ন নিয়ে একবছর পুলিশ টিমের সঙ্গে চলে অনুশীলন। অংশ নেন সামার ওপেন এ। র‍্যাংকিং এর বিশ নম্বরে এসে তাক লাগিয়ে দেন ফাহিম। তারপরের গল্পটা শুধুই সামনে এগিয়ে যাওয়ার। এখন তিনি নিয়মিত পুলিশ দলের হয়ে খেলছেন সিংগেলস ও ডাবলস। সিনিয়র র‍্যাংকিং এ তাঁর অবস্থান নয় নম্বরে। 

 

 

কান্ত মমতাকে আইডল মানেন এই ব্যাডমিন্টনে স্বপ্ন বোনা তরুণ। তাঁর স্বপ্ন ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন হওয়া ও লাল সবুজ পতাকার হয়ে বিশ্ব দরবার নিজেকে নিজে যাওয়া।

 

This platform is proudly developed and supported by Trenza Softwares