বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
টেস্ট ক্রিকেটকে বলা হয়ে থাকে মূল ক্রিকেট খেলা। এই টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ক্রিকেট বল। কিন্ত প্রশ্ন তো করতেই পারেন, বল তো বলই! তাহলে এইটা আবার কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে? মূলত,টেস্ট ক্রিকেটে দেশভেদে পরিবর্তন হতে থাকে ক্রিকেট বল।
যেমন- বাংলাদেশ পাকিস্তানে গিয়ে টেস্ট খেলেছে কোকাবুরা বল দিয়ে,আবার ভারতে গিয়ে খেলবে এসজি বল দিয়ে। তাই,টেস্টে বল বদলে গেলে বদলে যায় বোলারের পরিকল্পনাও। কিন্ত এই কোকাবুরা এবং এসজি বলের মধ্যে কি এমন পার্থক্য আছে !? আসুন জেনে নিই চট করে এর উত্তর-
বলের সিমের পার্থক্য : কোকাবুরা বলের তুলনায় এসজি বলের সিম তুলনামূলক বেশ খাঁড়া হয়ে থাকে। তাই এই বলের সিম দীর্ঘস্থায়ী হয় কোকাবুরার বলের তুলনায়।তাই পেসারদের পাশাপাশি স্পিনাররাও ভালো গ্রিপ পেয়ে থাকে এসজি বলে।
সেলাই : সেলাইয়ের ক্ষেত্রে দেখা যায়,কোকাবুরা বলের ৬ টি সিমের ক্ষেত্রে ভেতরের দুইটি শুধুমাত্র হাতে সেলাই করা থাকে আর বাহিরের চারটি মেশিনে সেলাই করা থাকে। পক্ষান্তরে,এসজি বলের ৬ টি সিম থাকে হাতে সেলাই করা। ফলে,এসজি বলের সিম ৫০-৬০ ওভার পর্যন্ত সুইং করে থাকে।
ওজন : ক্রিকেটে বলের ওজন মূলত ১৫০-১৬০ গ্রাম হয়ে থাকে। তবে এসজি বল নতুন অবস্থায় বেশ ভারী হলেও ৫-৬ ওভার পর থেকে বেশ হালকা হতে থাকে এবং বোলাররা বাড়তি সুবিধা পেতে শুরু করে।
সুইং সুবিধা : বলের সুইং এর কথা আসলে, কোকাবুরার তুলনায় এসজি বলকে এগিয়ে রাখতে হয়।
কেননা, কোকাবুরা বলের বেসিক হলো- নতুন বলে খেলা একটু কঠিন, পুরনো বলে সহজ। কিন্তু এসজি বলে নতুনটা খেলা সহজ, পুরনো কঠিন। তাই দেখা যায়, এসজি বল পুরনো হলেও সুইং সুবিধা পেয়ে থাকে বোলাররা কিন্ত কোকাবুরা বল পুরনো হলে সেটা দিয়ে বোলাররা সুইং পেয়ে থাকে না বললেই চলে!
তাই,সবকিছু বিবেচনায় ভারতে গিয়ে বাংলাদেশ দলকে পরীক্ষা দিতে হবে এসজি বলের বিপক্ষেও!!
বাংলা
English
