বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
ব্যাডমিন্টনে সার্ভিসের নিয়ম-
শীতকালে ব্যাডমিন্টন হয়ে উঠে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা।শীতে সন্ধ্যা হলেই গ্রাম থেকে শহর,অলি-গলি পেরিয়ে মূল সড়ক সবজায়গাই যেন হয়ে উঠে একেকটা ব্যাডমিন্টন কোর্ট।একটা ব্যাডমিন্টন ম্যাচ শুরু হয় একপক্ষের সার্ভিস বা সার্ভ করার মাধ্যমে।ব্যাডমিন্টন খেলার রয়েছে বেশ কিছু নিয়ম তবে খেলার সময় সবচেয়ে বেশী তর্ক-বিতর্ক হয়ে থাকে সার্ভিস বা সার্ভ করা নিয়ে,একদল যদি বলে সার্ভিস সঠিক হয়েছে তো প্রতিপক্ষ দল বলে সার্ভিস হয়েছে ভুল।তাই এইসব তর্ক-বিতর্ক এড়াতে আসুন জেনে নিই সার্ভিস করার ৪ নিয়ম--
১। সার্ভিস করার সময় অবশ্যই উভয় পা কোর্টের সংস্পর্শে থাকতে হবেঃ
সার্ভিস করার সময় শাটলকে আঘাত করার ক্ষেত্রে উভয় পায়ের যে কোন অংশ অবশ্যই মাটির সংস্পর্শে থাকতে হবে।সার্ভিস করার ক্ষেত্রে যিনি সার্ভিস করবেন তিনি মাটি থেকে পা তুলতে পারবেন না।এই নিয়মটি সার্ভার এবং রিসিভার উভয়ের জন্য একই।শাটলটি আঘাত না করা পর্যন্ত রিসিভারের (যিনি সার্ভিসটি গ্রহণ করবেন) অবশ্যই তাকে উভয় পা মাটির সংস্পর্শে থাকতে হবে।
২। সার্ভিস করার সময় পা কোর্টের লাইন স্পর্শ করতে পারবে নাঃ
আপনি যখন সার্ভিস করবেন বা সার্ভিস গ্রহণ করবেন তখন অবশ্যই আপনার পা কোর্টের কোন লাইন স্পর্শ করে থাকতে পারবেন না।সার্ভিসের সময় আপনি আপনার কোর্টের যে কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারেন তবে কোর্টের লাইন স্পর্শ করে বা কোর্টের বাহিরে অবস্থান করতে পারবেন না।
৩। সার্ভিসের সময় অবশ্যই কর্ককে আঘাত করতে হবে,পালককে নয়ঃ
সার্ভিস করার সময় শাটলের বেস (কর্ক) প্রথমে আঘাত করা আবশ্যক।এইটি খেলার নিয়মে যুক্ত করা হয়েছিল কারণ অনেক খেলোয়াড় প্রথমে পালকটি আঘাত করে এবং এর ফলে শাটলে প্রচুর পরিমাণ স্পিন তৈরি করে সুবিধা অর্জন করেছিল।এছাড়া পালকে হিট করলে তা শাটলকে দ্রুত নষ্ট করে ফেলে।
৪। সার্ভিস করার সময়সীমাঃ
ব্যাডমিন্টন খেলার সময় সার্ভিস করার সময় অনেকে একটু বেশী সময় নিয়ে থাকে এর কারণ হতে পারে সার্ভিসকারী কৌশলের জন্য সময় নিচ্ছেন বা প্রতিপক্ষকে দ্বিধায় ফেলতে এইরকমটা করছেন।ব্যাডমিন্টনে সার্ভিস করার ক্ষেত্রে কোন সময়সীমা না থাকলেও সার্ভিসকারী এবং সার্ভিস রিসিভার প্রস্তত হয়ে গেলে আর বিলম্ব করার নিয়ম নেই।
বাংলা
English
