গরুর হার্ট? লিভার? কি কি খেয়ে থাকেন আর্লিং হালান্ড?
গরুর হার্ট? লিভার? কি কি খেয়ে থাকেন আর্লিং হালান্ড?

আলিং হালান্ডের খাদ্য তালিকা

ইউরোপিয়ান ফুটবলের নতুন সেনসেশনের নাম আর্লিং ব্রাউট হালান্ড। হালান্ড নিজেকে যেমন একজন গোলস্কোরিং মনস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন তেমনি শারীরিকভাবেও নিজেকে দানবীয় হিসেবে গড়ে তুলছেন। ৬ ফুট ৪ ইঞ্চির এই নরউইজিয়ান স্ট্রাইকের বিপক্ষে ডিফেন্ড করা যেনো যেকোনো ডিফেন্ডারের দুঃস্বপ্ন। তবে হালান্ড কিভাবে নিজের এই দানবীয় শরীর বানিয়েছে? কি থাকে হালান্ডের নিয়মিত খাবারে? আসুন জেনে নিই বিস্তারিত।

 

আর্লিং হালান্ডের ডায়াট প্ল্যান

নিজের খাওয়াদাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট রুটিন ফলো করে থাকেন হালান্ড। এই রুটিন তার ক্লাব থেকে নিযুক্ত পুষ্টিবীদের দেওয়া। সে তার নিয়মিত খাওয়া দাওয়া তে ফ্রেশ মাংস ও দুধ রাখতে বেশি পছন্দ করেন। এক ইন্টারভিউ তে তিনি জানিয়েছিলেন ,’আমি ফ্রিজিং করা মাংস পছন্দ করিনা,বরং আমি ফ্রেশ মাত্রই সংগ্রহ করা মাংস বেশি পছন্দ করি। গরুর হার্ট ও লিভার আমার বেশ পছন্দের।’’ এছাড়াও অনেক ছবিতেই হালান্ডকে দেখা গেছে দুধের বোতল হাতে। এমনকি দুধের বোতল হাতে তিনি সোশাল মিডিয়াতে ছবিও পোস্ট করতে দেখা গেছে হালান্ডকে। এতেই বোঝা যায় সঠিক খাওয়া দাওয়াকে কতটা গুরুত্ব দেন তিনি।

যেকোনো লেভেলের প্রফেশনাল ফুটবলার ই সবসময় নিজেকে হাইড্রেট রাখার চেষ্টা করেন। এক্ষেত্রে হালান্ডের প্রাথমিক পছন্দ প্রচুর পরিমানে মিনারেল ওয়াটার। সাধারন পানি ছাড়াও সে বিভিন্ন ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংস,প্রোটিন শেক ইত্যাদি পান করে থাকেন। হালান্ড তার খাবারে প্রোটিন,কার্বোহাইট্রেড, এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের একটি ব্যালেন্স রাখেন যা তিনি ট্রেনিং বা ম্যাচের ২-৩ ঘন্টা পূর্বে গ্রহন করে থাকেন। এছাড়াও ম্যাচ ডে গুলায় সে প্রি ম্যাচ মিল ও পোস্ট ম্যাচ মিল হিসেবে দুইবার এক্সট্রা খাবার খান যা শুধুমাত্র ম্যাচ ডে গুলোর জন্য।

হালান্ডের ব্রেকফাস্টে থাকে প্রচুর ফল,টোস্ট,ওটমিল ,বাদাম ,গ্রীক ইয়োগার্টের মত পুষ্টিকর খাবার। দুপুরের খাবারে সে সাধারনত প্রোটিন সমন্বিত মুরগির মাংস,মাছ,সালাদ ও সিদ্ধ সবজি খেয়ে থাকেন। রাতের খাবারে সে সাধারনত বিভিন্ন ফাইবার জাতীয় খাবার,প্রচুর পানি ,স্যামন মাছ ইত্যাদি খাবার খেয়ে থাকেন।

 

হালান্ডের ওয়ার্কআউট রুটিন

সাধারন টিম ট্রেনিং এর বাইরেও হালান্ড কিছু ওয়ার্ক আউট করে থাকে যা তাকে ট্রেনিং এর জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে। এই ওয়ার্ক আউটের শুরুতে সে ৫-১০ মিনিটের হালকা জগিং করে থাকে যা তার হার্টবিট বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের মাসল স্ট্রেচ করে যা তাকে ট্রেনিং এ যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পেশির টান থেকে রক্ষা করে।

This platform is proudly developed and supported by Trenza Softwares