বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
প্রত্যেকটা পিচের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে যার থেকে বোঝা যায় যে সেটা ব্যাটিং পিচ না বোলার-ফ্রেন্ডলি পিচ।
পিচের ধরনে পার্থক্য থাকে।
পিচে যদি ঘাস থাকে অর্থাৎ পিচ সবুজ হয়,তাহলে এখানে বল বাউন্স করবে বেশি।ফাস্ট বোলাররা কিছু সুবিধা পাবে।ব্যাটিং লাইন আপ ভালো না হলে ব্যাটিং কোলাপস হয়ে যেতে পারে।
ধরেন পিচটা শুকনো,খরখরে, তেমন ঘাস নেই তাহলে এখানে বল ভালো স্পিন করবে।এই পিচে প্রথমদিকে ব্যাট করতে অসুবিধা হবে কিন্তু সময় গড়ানোর সাথে সাথে এটা ব্যাটিং পিচ হয়ে যাবে।
আরেকটা ব্যাপার আছে,আবহাওয়া। বৃষ্টিভেজা দিনে খরখরে উইকেটও অদ্ভুত আচরণ করে।তখন পিচে ব্যাট করতে অসুবিধা হবে।আর যদি হালকা বাতাস থাকে তাহলে তো কথাই নেই। সুইং বোলার দু-একজন থাকলেই হয়।অর্ধেক কাজ বোলারের, বাকি অর্ধেক কাজ পিচের।
যেদিন রোদ থাকে সেদিন ব্যাটিং করা কিছুটা সোজা।ধরেন রোদ আছে, শুকনো উইকেট, আর পিচটা তৃতীয় দিনের(টেস্ট খেলার পাঁচদিনের মধ্যে তৃতীয় দিন) তাহলে আর কি! হাঁকিয়ে দেন একখানা সেঞ্চুরি।
ক্রিকেটে পিচ হল মাঠে দুই উইকেটের মাঝে ২২ গজ লম্বা এবং ১০ ফিট প্রস্থ শক্ত মাটি দিয়ে বানানো স্থান। এটি সমতল এবং স্বাভাবিকভাবে সামান্য ঘাস থাকে। যেকোনো ম্যাচের আগেই আমরা ক্রিকেট এক্সপার্টদের আলোচনা করতে শুনি যে "আজকের পিচ কেমন হবে?"— কারণ গ্রাউন্ড যতই বড় হোক না কেন, ওই ২২ গজের পিচই আসলে সব ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে। (মেক ওর ব্রেক)
সাধারণত তিন রকমের পিচ দেখতে পাওয়া যায়
ডেড পিচ : এমন পিচে কোনো ঘাস ও আদ্রতা পাওয়া যায় না। এই ডার্ক কালারের পিচগুলো ব্যাটসমেনদের জন্য স্বর্গ, কারণ বোলাররা এই পিচে ঠিক সুবিধে করে উঠতে পারেনা। বোলারদের কোনো সাহায্য দেয় না। এই পিচ ভারতীয় উপমহাদেশে দেখা যায়। মূলত ওডিআই ও টি-২০ ম্যাচ খেলা হয়ে থাকে।
ডাস্টি পিচ : এমন পিচগুলো স্পিন বোলারদের জন্য আদর্শ। বল ভালো গ্রিপে আসে। দক্ষ স্পিনারদের দ্বারা একাধিক উইকেট নেওয়া সম্ভব এই পিচে। ব্যাটিং-এর ক্ষেত্রে এই পিচ খুব একটা অসুবিধাজনক নয়, রান তুলতেও খুব একটা ঝামেলা হয় না। এই পিচ মূলত উপমহাদেশগুলিতে দেখা যায়।
গ্রিন পিচ : এই পিচে ঘাস বেশি থাকায় এটা ফাস্ট বোলারদের খুব সাহায্য দেয়। বলের বাউন্স এই পিচে খুবই অনিশ্চিত। স্পিনারদের এই পিচ বিশেষ সহায়তা করে না। ব্যাটসমেনদের জন্য এই পিচ দুঃস্বপ্ন, তবে ফাস্ট বোলারদের বিরুদ্ধে। এই পিচ সাধারণত পশ্চিম দেশগুলোতে দেখতে পাওয়া যায় ও টেস্ট ক্রিকেটের জন্য ব্যবহৃত হয়।
বাংলা
English
