বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
শরীর সুস্থ, নিরোগ, সতেজ করতে যোগাসনের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা পর্যায়ক্রমে ৫ টি আসনের কথা আলোচনা করবো।
আজকে আলোচনার বিষয় পদ্মাসন।
সাধারনত যোগাসন শরীর সুস্থ, নিরোগ, সতেজ রাখার পাশাপাশি
১)অনিদ্রা থেকে রক্ষা করে
২)কর্মক্ষমতা বাড়ায়
৩)শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
৪)হৃদরোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের পীড়া দূর করতে যোগাসনের ভূমিকা আছে।
৫)মনের চঞ্চলতা দূর করতে ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি সহ যোগাসনের নানা ভূমিকা রয়েছে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক পদ্মাসনের গুরুত্ব ও এর পদ্ধতি
মাটিতে আসন পেতে বসুন। দুই পা সামনে সোজা করে একসঙ্গে রাখুন। তারপর ডান পা বাম জঙ্ঘার উপর ও বাম পা ডান জঙ্ঘার উপরে এমনভাবে রাখিন যাতে দুই পায়ের গোড়ালি নাভির দু পাশে এবং পেটের সঙ্গে মিশে থাকে। এবার কোমর বুক, ঘাড়, মাথা একবারে টানা টান করে সোজা করে বসুন। হাঁটু মাটির সঙ্গে মিশিয়ে রাখুন। দুই হাতের করতল কোলের মধ্যখানে রেখে স্হির হয়ে বসুন অথবা দুই হাঁটুর করতল রাখুন। চোখ আলতোভাবে বন্ধ করে রাখুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন। এটাই হলো পদ্মাসন।
পদদ্বয়ের এইরূপ অবস্থানের সঙ্গে পদ্মের সাদৃশ্য আছে। তাই মনে হয় এই আসনটির নাম পদ্মাসন।
পরামর্শঃ কিছু সময় পর পর পা বদল করে পদ্মাসনের অভ্যাস করুন।
শুরুতে ১ মিঃ থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে এক ঘঃ পর্যন্ত করুন।
তবে আসনে প্রতিবার অভ্যাসের পর ১৫ সেকেন্ড বিশ্রাম নিলে ভালো হয়।
পদ্মাসনের উপকারিতাঃ
১.স্মৃতিশক্তি ও মনের একাগ্রতা বৃদ্ধিতে পদ্মাসনের কোনো বিকল্প নেই
২. হাঁটু, কোমরের বাত ছাড়াও পায়ের নানা ধরনের দোষ দূর হয়
৩.অনিদ্রা, ক্রোধ, উত্তেজনা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়
৪.এই আসন নিয়মিত করার ফলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও জীবনীশক্তি বৃদ্ধি পায়
৫.পদ্মাসনকে এমন একটা শারীরিক ব্যায়াম হিসাবে চিহ্নিত করা হয় যাতে মেরুদণ্ড কখনও বক্র হয় না বলে ধরা হয়।
বাংলা
English
