বিপিএলের ইতিহাস এবং কে কতবার জিতেছে শিরোপা!
ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর বিপিএল। কিন্তু দায়সারা আয়োজন আয়োজকদের।
আর তারই প্রমাণ মিললো ঢাকা ডমিনেটর্সের সাথে খুলনা টাইগাসর্সের দ্বিতীয় ইনিংসেই।
বিতর্ক শুরু পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে সৌম্য সরকারের আউটকে ঘিরে।বোলিংয়ে ছিলেন স্পিনার নাসুম আহমেদ। প্রথম বলে চার মেরেছিলেন দারুণ ড্রাইভে। পরের বলে সুইপ করতে গিয়ে ব্যাটে বলে করতে পারেননি সৌম্য।
জোরালো দাবি এলবিডব্লুর। কিন্তু সৌম্যের দাবি বল গ্লাভসে লেগেছে।
ব্যাপারটা তখনই নাটকীয়তায় মোড় নেয় যখন অনফিল্ড আম্পায়ার গাজী সোহেল সৌম্যকে আউট দেন।
সৌম্যের পক্ষ থেকে সাথে সাথে রিভিউ এর আবেদন কিন্তু ডিআরএস না থাকায় থার্ড আম্পায়ারের জন্যও সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
ডিআরএস মূলত অন ফিল্ড আম্পায়ার কর্তৃক ব্যাটসম্যানের আউটের ক্ষেত্রে এককভাবে গৃহীত বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পর্যালোচনা।
বিপিএল শুরুর আগেও ডিআরএস নিয়ে ক্রিকেট অনুরাগীদের সবার একটাই প্রশ্ন ছিলো এবারও কেন ডিআরএস থাকছে না?
বিসিবি সিইও থেকে জানা যায় একই সময়ে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চলছে। কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগও চলছে। এসব কারণেই ডিআরএস ব্যবহার সম্ভব হয়নি।
ছিল না বলের গতিপথ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি বল ট্র্যাকিং বা হক আই এর সুযোগ সুবিধা।
থার্ড আম্পায়ার টিভি রিপ্লে দেখে বারবার বোঝার চেষ্টা করেছেন বলটি মূলত কোথায় আঘাত করেছে। রিপ্লেতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল বল সৌম্যের গ্লাভসে লেগেছিল এবং আউট সাইড অব দ্য স্টাম্প পিচ করে লেগ স্টাম্প দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে।
পরবর্তীতে বিষয়টির সঠিক নিষ্পত্তি হলেও আক্ষেপের সুর খুলনার পেসার পল ভন মিকেরেন এর , ‘প্রথমে তাকে (সৌম্য) আউট দেওয়া হয়। রিভিউ নেওয়ার পরেও আউট দেওয়া হয়। পরে আবার নট আউট! ব্যক্তিগতভাবে আমি নিশ্চিত নই এটি আসলে রিভিউ সিস্টেম কি না। কারণ এতে হক আই বা অন্যান্য পরিপূর্ণ প্রযুক্তি নেই। এখন বিষয়টি এমনই (স্বচ্ছতার অভাব)।
কিছুদিন আগেও লেগ বিফোর উইকেট অর্থাৎ এলবিডাব্লিউ সিদ্ধান্তের জন্য অনফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই ছিলো চূড়ান্ত। আম্পায়ার কে মূলত ব্যাটসম্যানের পায়ের সঙ্গে বলের সংযোগ কোন স্থানে হয়েছে, সেটা খালি চোখে দেখেই দিতে হতো সিদ্ধান্ত।
বাংলা
English
